সোশ্যাল বিজনেস কমপিটিশনে রানার্স আপ ইডিইউ

চট্টগ্রাম প্রতিদিন ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সোশ্যাল বিজনেস কমপিটিশনে রানার্স আপ ইডিইউ

চট্টগ্রাম: টানা প্রবল বর্ষণে বাড়ির আশপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে পানি চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় আমাদের। বিশেষ করে প্লাস্টিক সামগ্রী আটকে গেলে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) তিন মেধাবী শিক্ষার্থী জলাবদ্ধতা নিরসনে চমৎকার আইডিয়া দিয়ে জিতে নিয়েছেন সোশ্যাল বিজনেস ক্রিয়েশনের পুরস্কার।

সম্প্রতি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। কানাডার বিখ্যাত এইচইসি মন্ট্রিয়াল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ-মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এ কমপিটিশনের আয়োজন করে।

বিভিন্ন পর্বে সারা দেশ থেকে ৩০টির বেশি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। পরে ফাইনালে ৭টি থেকে ৩টি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সেখানে চট্টগ্রামের ইডিইউ রানার্স আপ হয়েছে। 

বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন: নাহিয়ান ইসলাম, রিমেন ও জাহিদ হাসান। তারা কানাডায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক সোশ্যাল বিজনেস কমপিটিশনে বাংলাদেশ থেকে (আঞ্চলিক পর্যায়) লড়াই করার সুযোগ পাবেন।

এতে বাংলাদেশ ছাড়াও ইউরোপের একাধিক দেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। 

এদিকে ইডিইউর শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যে গর্বিত প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান। বিজয়ী দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এমন একটি কমপিটিশনে আমাদের শিক্ষার্থীরা পুরস্কার জিতে নেওয়ায় চট্টগ্রামের জন্য গর্বের বিষয়।

তিনি বলেন, পড়ালেখার বাইরে মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় আমাদের ছেলে মেয়েদের অর্জন প্রমাণ করে শুধু পুরো চট্টগ্রামেই নয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও আমরা যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছি।

বিজয়ী দলের সদস্যরা জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সোশ্যাল বিজনেস নিয়ে নানা ধরনের আইডিয়া আহ্বান করে কানাডার এইচইসি মন্ট্রিয়াল ইউনিভার্সিটি।

ইডিইউর মেধাবীরা গ্রুপ পর্বে ভালো করার পর জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে চমৎকার আইডিয়া দিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় রানার্স আপের পুরস্কার জিতে নেন।

বিজয়ী দলের নাহিয়ান ইসলাম বলেন, আমরা এমন একটি প্রকৃতিবান্ধব যন্ত্র তৈরির কথা বলেছি যেটি বর্ষাতে প্লাস্টিকের বোতল, ময়লা-আবর্জনাসহ পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টিকারীদের আটকে দেবে।

আরেক সদস্য রিমেন বলেন, যন্ত্রটি রাস্তার ধারে যেখানে পানি জমে বা চলাচল করে সেখানে মাটি খুঁড়ে অন্তত দুই ফুট ভেতরে কিছু অংশ স্থাপন করতে হবে। যেসব সামগ্রী পানি চলাচলে বাধার সৃষ্টি করবে সেগুলো একসময় যন্ত্রটির জালে আটকা পড়ে যাবে।

জাহিদ হাসান বলেন, আটকে যাওয়া সব প্লাস্টিকের সামগ্রী আবার পুনর্ব্যবহার করার উপযোগী করা যাবে। এতে সোশ্যাল বিজনেসের স্বার্থও সংরক্ষিত হবে। তৈরি হবে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৩০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৮, ২০১৮
এমআর/টিসি

নদীপথে আসছে গরু, চাঁদাবাজিরোধে নিরাপত্তার দাবি
নওগাঁয় হাজতির মৃত্যু
ছেলের পছন্দ বিবিএ, বাবা-মায়ের ইংরেজি!
নীলফামারীতে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত ৮টায়
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়েছেন ড. কামাল
নির্দিষ্ট সময়ে ঘাট ছাড়ছে না কোনো লঞ্চ
ফুলবাড়িয়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে ডি ব্রইনা
যানবাহনের চাপ কমেছে পাটুরিয়ায়
ভোমরা হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর