মহাসড়কে এক্সেল লোড ‘নিয়ন্ত্রণে’ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

সুবল বড়ুয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সংগৃহিত

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের উপানুষ্ঠানিক পত্রের প্রেক্ষিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

এ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (০৯ আগস্ট) এক সভা আহ্বান করা হয়েছে। একই বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা।
আরও খবর>>
** 
এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণে শিথিলতা চান মেয়র নাছির
সভায় চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সেতু ও জননিরাপত্তা বিভাগ এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলমসহ পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের উপস্থিত থাকতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলা হয়েছে।

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বাংলানিউজকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার শিকার হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিলো। এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণে পরিমাপক যন্ত্র বসানোর কারণে চট্টগ্রাম থেকে পণ্য আনা-নেওয়ায় খরচ বেশি পড়ছে। যা অন্য জেলায় কম। সরকার যদি সারাদেশের প্রধান সড়কগুলোতে একই নিয়ম চালু করে, এক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। চট্টগ্রামবাসীর কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পরিমাপক যন্ত্র বসবে আর অন্য কোন সড়কে বসবে না, তা হতে পারে না। এতে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ।’

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণে পণ্য পরিবহনে বাধ্যবাধকতা শিথিল করা প্রয়োজন বলেও মত প্রকাশ করেন সিটি মেয়র।

এর আগে ১৫ জুলাই মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণে স্কেল ব্যবহার কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ১৩ টন ওজন পরিবহনে বাধ্যবাধকতা শিথিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলামের কাছে রোববার (১৫ জুলাই) উপানুষ্ঠানিকভাবে চাহিদাপত্র পাঠান সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিলো- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় দারোগাহাট ও কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ওজন পরিমাপক যন্ত্র স্থাপন করায় পণ্য পরিবহনে ১৩ টনের বেশি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে পরিবহন ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, আইনি জটিলতায় গ্রাহক বা সাধারণ ডিলার বা পাইকাররা চট্টগ্রাম থেকে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ক্ষেত্রে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ব্যবসায়ীদের মাঝে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমতাবস্থায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পণ্য সামগ্রীর সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়ীবৃন্দের আর্থিক ক্ষতি নিরসনের জন্য মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ স্কেল ব্যবহার কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ১৩ টন ওজন পরিবহনের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা প্রয়োজন।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছিল-আমদানি রফতানির সাথে জড়িত ব্যবসায়ীগণ তাদের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার না করে অন্য বন্দর ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। ফলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমতাবস্থায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পণ্য সামগ্রীর সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়ীবৃন্দের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের বিষয়টি সুবিবেচনাপূর্বক দেশের অন্যান্য মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ স্কেল ব্যবহার কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২ (দুই) এক্সেল বিশিষ্ট মোটরযানে ১৩ টন ওজন পরিবহনের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অনবুরোধ জানানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২১৩০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৬, ২০১৮
এসবি/টিসি

সাগরে নিম্নচাপ, উপকূলের নিম্নাঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
মহেশখালীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
প্রস্তুত কামারশালার লোহা শিল্পীরা
অরক্ষিত মেঘনা উপকূল, জোয়ারে ডুবে যায় কমলনগর
শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুময় সাংস্কৃতিক অঙ্গন
কিংবদন্তি শিল্পী এলভিস প্রিসলির মৃত্যু
লাইফ সাপোর্টে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী
রাজশাহীতে বাসচাপায় ৩ জন নিহতের ঘটনায় চালক আটক
মেক্সিকোর নব নির্বাচিত নারী কংগ্রেস প্রতিনিধি অপহৃত
চুনারুঘাটে মাটিচাপা পড়ে ২ নারী শ্রমিকের মৃত্যু