যানজট থেকে নগরবাসী মুক্তি চায়: সুজন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক উত্তর) আবু সায়েম চৌধুরীকে যানজট নিরসনের আহ্বান জানান খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম: রুটিন যানজটে পড়ে ব্যাহত হচ্ছে অফিস, স্কুল-কলেজযাত্রা। বিমানযাত্রীরা সময়মতো প্লেন ধরতে পারছেন না। অ্যাম্বুলেন্স ও মরদেহবাহী গাড়িও আটকা পড়ছে প্রতিনিয়ত। অসহনীয় যানজট থেকে নগরবাসী মুক্তি চায়।

‘জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই’ শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন এসব কথা বলেছেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক উত্তর) আবু সায়েম চৌধুরীকে।

বুধবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপ-পুলিশ কমিশনারের দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এ আওয়ামী লীগ নেতা।    

সুজন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলছে অসহনীয় যানজট, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী। নগরীর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এখন যানজটের কবলে পড়ছে। মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পথে কাটাতে হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে শ্রমঘণ্টা। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের কারণে ট্রাফিক সিস্টেম অকার্যকর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নগরীর কর্নেল হাট থেকে অলংকার মোড়, নিমতলা বিশ্বরোড থেকে বড়পুল, সল্টগোলা রেলক্রসিং থেকে সিইপিজেড মোড়, দুই নম্বর গেট থেকে অক্সিজেন মোড়, মুরাদপুর থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট থেকে নতুন ব্রিজ, প্রবর্তক মোড় থেকে চকবাজারসহ নগরীর সড়কগুলোতে সারাদিন যানজট লেগেই থাকছে।

নগরীতে দিনের বেলায় ভারী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়ে গণপরিবহনের সংকট নিরসন করে যাত্রীসাধারণকে নিরাপদে চলাচল নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান সুজন।

তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের পক্ষ থেকে এ দায়িত্ব ট্রাফিক বিভাগের। সুতরাং আমরা ট্রাফিক বিভাগের পরিপূর্ণ এ দায়িত্বের বাস্তবায়ন চাই।

উপ-পুলিশ কমিশনার যানজট থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে ট্রাফিক বিভাগ কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীতে যে হারে গাড়ি চলাচল করছে সে হারে রাস্তাঘাট নির্মিত হয়নি। উন্নয়নকেন্দ্রিক রাস্তাঘাট সংস্কারের কারণেও যানজট হচ্ছে। তা ছাড়া নগরীতে কোনো নির্দিষ্ট ট্রাক কিংবা বাস টার্মিনাল নেই। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং তার অন্যতম কারণ। আর যে সব গাড়ি যত্রতত্র রাস্তায় পার্কিং করা থাকে সে সব গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে রাখার জন্য কোনো ডাম্পিং ইয়ার্ডও নেই। অথচ চট্টগ্রাম হচ্ছে বাণিজ্যিক রাজধানী ও বন্দরনগরী। বন্দর কেন্দ্রিক শতশত গাড়ি প্রতিদিন চট্টগ্রাম নগরীতে ঢোকে এবং বের হয়। সিইপিজেড, কেইপিজেডসহ বিভিন্ন সংস্থার বিপুলসংখ্যক গাড়িও প্রতিদিন নগরীতে চলাচল করে কিন্তু দুঃখের বিষয় এত বিপুলসংখ্যক গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করার মতো পর্যাপ্ত সার্জেন্ট কিংবা ট্রাফিক পুলিশ বর্তমানে নেই।

তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জনবল সংকটের কথা জানিয়েছি। আশা করছি নতুন জনবল পেলেই আমরা যানজটের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাব। এ ছাড়া নগরীতে বেশ কয়েকটি নতুন বাস এবং ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ করতে হবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিক মো. ইলিয়াছ, মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু তাহের, নাগরিক উদ্যোগের সদস্যসচিব হোসেন কোম্পানি, সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব হাবিব শরীফ, ছালেহ আহমদ, মো. শাহীন, নুরুল কবির, মো. এজাহারুল হক, মো. শাহজাহান, হাফেজ মো. ওকার উদ্দিন, জাহিদ আহমদ চৌধুরী, এনামুল হক মিলন, স্বরূপ দত্ত রাজু, সাকিব রাদিত উল্ল্যাহ, মো. মাহফুজ, মনিরুল হক মুন্না, হোসেন চৌধুরী সাদ্দাম প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ২০২০ ঘণ্টা, মার্চ ১৪, ২০১৮ 

এআর/টিসি

 

 

রোনালদোর জার্সি চেয়েছিলেন রেফারি!
চুয়াডাঙ্গায় যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার
চমেকে ২৫০ জনের কাজ করবেন ১০৯ জন!
হাটহাজারীতে আগুনে পুড়লো বসতঘর
প্লেনে ভিক্ষুক!
কাঁঠালবাড়ী ঘাটে কর্মস্থলগামী মানুষের ভিড়
সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
একাদশ গোপন রাখছেন সাম্পাওলি
লালবাগে পুলিশের ‌‌মাদকবিরোধী অভিযান
সন্ত্রাস রুখতে কমিশনারের ভূমিকা চাইলেন মুক্তিযোদ্ধারা