'একসময় চবির মারামারির খবর দেখে মনে ব্যথা পেতাম'

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির আনন্দ শোভাযাত্রা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একসময় নিয়মিত মারামারি, হত্যাকাণ্ড ও অরাজকতার খবর দেখে মনে ব্যথা পেতেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। তবে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ঠিক থাকায় নিজে গর্ববোধ করেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলন উপলক্ষে অনুষ্ঠানটি অায়োজন করা হয়।

ইকবাল সোবহান বলেন, 'ক্যাম্পাসে নানা মতের লোক থাকতে পারে। এমনকি বহুদলের ছাত্রসংগঠনগুলোও রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে সবাইকে একমতে পৌঁছতে হবে। একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমাবাজি, মারামারি, ও হত্যাকাণ্ডেরর ঘটনাও ঘটতো। এসব খবর দেখে মনে ব্যথা পেতাম তবে এখন সেই সংঘর্ষ বা অরাজকতার খবর শুনি না। তাই এখন এই ক্যাম্পাস নিয়ে নিজে গর্ববোধ করি।'

'বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সুষ্ঠ পরিবেশ শুধু শিক্ষক না, শিক্ষার্থীদেরও এক্ষেত্রে অবদান রেখেছে। এরকম শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বোঝা-পড়া থাকলে এই বিশ্ববিদ্যালয় অারও এগিয়ে যাবে' বলেন ইকবাল সোবহান।

তিনি বলেন,'এটম বোমার যেমন অপব্যবহারের কারণে একটি জাতি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে তেমনি সাংবাদিকতাও অপব্যবহার হলে সমাজকে বিভ্রান্তি ও ধ্বংসের পথে নিয়ে যাবে। তাই সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায় এমন সংবাদ উপস্থাপন করতে হবে। তবে সত্য সাংবাদিকতা করতে গিয়ে অনেকে ঝুকির মধ্যে পড়বেন, এরপরও লিখে যাওয়ার নামই প্রকৃত সাংবাদিকতা।'

তিনি অারও বলেন, 'সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে শামসুর রহমান, মানিক সাহা ও সর্বশেষ নব দম্পতি সাগর রুনির মত সাংবাদিকরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। তারা সাংবাদিকদের স্বাধীনতার জন্য ও ন্যায়ের পক্ষে অাজীবন লড়ে গেছেন।'

দেশ এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে বাধা অাসছে দাবি করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তখন দেশের একটি মহল ও বাইরের কয়েকটি মহল থেকে বাধা অাসছে। তারপরও বর্তমান সরকার উন্নয়নের পথ বন্ধ করে দেননি।

তিনি সব বাধা পেরিয়ে দেশকে বিশ্বের দরবারে পরিচয় করে দিচ্ছেন।

দৈনিক অাজাদীর সম্পাদক এমএ মালেক বলেন, 'সাংবাদিকতায় সব সময় সত্যের পক্ষে লিখতে হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাংবাদিকদেরই এগিয়ে অাসতে হবে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় মনোযোগ দিতে হবে।'

তিনি এসময় সাংবাদিকতা বিষয়ে বিভিন্ন খুঁটিনাটির ব্যাপারে অালোচনা করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের কদর অাছে। তবে মনগড়া সংবাদ যেন কেউ না করে। একটি জরিপে উঠে এসেছে ৪৪ শতাংশ সাংবাদিক মনগড়া সংবাদ উপস্থাপন করেন। তাই সাংবাদিকদের এই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।'

বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ অাকতার, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ফরিদ উদ্দিন অাহমেদ ও প্রক্টর অালী অাজগর চৌধুরী। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সাবেক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন হামিদ উল্লাহ, এহসান জুয়েল, উত্তম সেন গুপ্ত ও ইব্রাহিম কুতুবী।

বাংলাদেশ সময়: ১০৩৫  ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮

জেইউ/টিসি

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৯ ডাকাত আটক
বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় বসন্ত শুরু
ডিএসইতে ১৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
এলএলবি শেষবর্ষে ২য় রিলিজ স্লিপের আবেদন শুরু রোববার
মাগুরায় ডিজিটাল মেলা শুরু
জয়পুরহাটে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
উখিয়ায় টমটমের ধাক্কায় স্কুলছাত্র নিহত
বার্সায় এটাই মেসির শেষ চুক্তি নয়
পাবনায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু
পেকুয়ায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার




Alexa