বই পড়ে পুরস্কার জিতলো চট্টগ্রামের ৬ হাজার শিক্ষার্থী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম: বই পড়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার জিতেছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলের ৬ হাজার ৩৯২ জন ছাত্রছাত্রী।  গ্রামীণফোন এই কর্মসূচিতে সহযোগিতা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৯ ‍জানুয়ারি) নগরীর মিউনিসিপ্যাল মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দুই দিনব্যাপী পুরস্কার বিতরণী উৎসব শুরু হয়েছে। উদ্বোধন করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

তিনটি পর্বে ৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৬ হাজার ৩৯২ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।  শুক্রবার প্রথম পর্বে ৩৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০৫৮ জন ছাত্রছাত্রী পুরস্কার নিয়েছেন।  বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে পুরস্কার গ্রহণ করেছে ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২২৫৫ জন ছাত্রছাত্রী।

শনিবার বিকেলে নগরীর ২৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০৭৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কার দেওয়া হবে।  বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রমের আওতায় ২০১৭ সালজুড়ে এই বইপড়া কর্মসূচি হয়েছে।

উদ্বোধনী পর্বে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, মানুষ দুই রকম।  বড় মানুষ আর ছোট মানুষ।  এই বড় মানুষই হচ্ছে আলোকিত মানুষ।  বড় হচ্ছে সেই রকম একটা জিনিস, যাতে আলো আছে।  আর আলো আসে বই থেকে।

আমন্ত্রিক অতিথিদের মধ্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আবুল মোমেন বলেন, একাডেমিক বইয়ের সাথে সাথে বাইরের বইগুলোও বেশি বেশি করে পড়তে হবে। এই বইগুলো মানবিক হতে সহযোগিতা করবে।  জিপিএ ফাইভ নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রকৃত জ্ঞানী তৈরি হয় না।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মোহিত-উল-আলম বলেন, আপনাদের ছেলেমেয়ের শিশু মনের সুপ্ত বাসনাগুলো বিকাশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে বই পড়ার বিকল্প নেই।

পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফী মিজানুর রহমান পুরস্কার পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের অভিননন্দন জানিয়ে বলেন, তোমরা বই পড়ে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও শেখ সাদীর মতো বিনয়ী ও উদার হবে, এই কামনা করি।

এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভিতরেই একটা এভারেস্ট রয়েছে।  এই এভারেস্টটা হল তার স্বপ্ন।  তোমরা স্বপ্ন দেখ এবং নিজের স্বপ্নের প্রতি অবিচল থাকো।  দেখবে প্রত্যেকেই যার যার এভারেস্টে উঠতে পেরেছো।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্ত্তী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রামে পরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সাহেদুল কবির চৌধুরী, গ্রামীণফোনের হেড অব রিজিওনাল অপারেশানস টেকনোলজি জনাব মো. ফিরোজ উদ্দিন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক আলেক্স আলীম এবং সমন্বয়কারী সাংবাদিক সুমি খান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম-পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।

বাংলাদেশ সময়:  ২১০০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৯, ২০১৮

আরডিজি/টিসি

ঘরের ভেতর বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ নিয়ে রহস্য!
বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু
বিশ্বকাপে স্পাইডারম্যান-আয়রনম্যান
বৃষ্টিতে নগরজুড়ে দুর্ভোগ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২
মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু
এমপিওর দাবিতে প্রতীকী অনশন করছেন শিক্ষকরা
অফস্ক্রিনে টম অ্যান্ড জেরি আমরা: ইশান
‘নাইজেরিয়া, দয়া করে মেসির জন্য জিতে যাও’
জিসিসি নির্বাচন: যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা